নিজস্ব প্রতিবেদক, বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১২:২৩
ছবি: বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর
ঢাকাকে বলা হয় প্রাণের শহর। বহু প্রাণের সমাগমে
মুখরিত এই শহরের রাস্তায় কিংবা গলিতে দেখা মেলে মুখরোচক অনেক খাবারের। এই শহরে কত পদের খাবার শুধু রাস্তায় বিক্রি হয় তার কোনো
ইয়ত্তা নেই। স্বল্প আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে উচ্চবিত্ত মানুষ,
স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে চাকুরীজীবী সবাই ভিড় করে এসব খাবারের জন্য।
এসব খাবারের পসড়া নিয়ে রাজধানীর গ্রীনরোডের রাস্তায় গড়ে উঠেছে ছোটখাটো একটি স্ট্রিট ফুড জোন।
মাত্র কয়েকটি দোকানের সমাহারে সেখানে এসে ভিড় করে নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ। তবে
এখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই বেশি আসে।
গ্রীণরোডের
রাস্তায় সকাল থেকে সন্ধ্যা, এমনকি রাত পর্যন্ত এসব জায়গা সরগরম
থাকে স্ট্রিট ফুড-প্রেমীদের ভিড়ে। এখানে এসে বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থীদের আড্ডা এবং দিনশেষে ঘরে ফেরা চাকরিজীবীরা সব ক্লান্তি ঝেড়ে ফেলেন। গ্রীণরোডের
রাস্তায় ভাজাপোড়া, বার্গার, চা-কফি, জুস-চিপস, কাবাবের স্বাদে
জিভকে শান্তি দিচ্ছেন তারা।
মো: সুমন
হোসেন, ৬ বছর ধরে গ্রীনরোডের রাস্তায় ঝালমুড়ি বিক্রি করছেন। প্রতিদিন গড়ে ৮ থেকে ১০
হাজার টাকার মুড়ি বিক্রি করেন তিনি। বলেন,
এখানে নিয়মিত ও অনিয়মিত দুই ধরনেরই কাস্টমার আসেন।
এছাড়া এখানে প্রায় প্রতিটি দোকানে গড়ে দিনে দুই’শ থেকে আড়াই’শ ক্রেতা আসে বলে
জানায় এখানকার স্ট্রিট ফুড বিক্রেতারা।
এখানে আসা
স্ট্রিট ফুড-প্রেমীরা বলছেন, রাস্তায় বিক্রি হওয়া খাবার ততটা স্বাস্থ্যসম্মত
না হলেও 'চার দেয়ালের ভেতরে নয়, উন্মুক্ত
খোলা জায়গায় বসে খাবার খাওয়ার জন্যই স্ট্রিট ফুড খেতে আসেন তারা। এছাড়া বন্ধুবান্ধবসহ
অনেকেই মিলে আড্ডা দেয়া যায় এসব স্ট্রিট ফুড খেতে আসলে।
রাজধানীর
বিভিন্ন রাস্তাগুলোয় গড়ে ওঠা এসব দোকানগুলোতে
একটু কম দামে খাবার পাওয়ায় স্ট্রিট ফুড
জোন তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন সাধারণ ভোজন-রসিক প্রেমীরা। এছাড়া
ছুটির দিনগুলোয় এসব স্ট্রিট ফুডের
বেচাকেনা বেশি হয়। দোকান মালিকদের
দাবি, কেউ পৃষ্ঠপোষকতা না করুক, তবে কোনোভাবেই যেন এই দোকানগুলো যেন সরকার বন্ধ করে
না দেয়।
ইউএইচ/