ডেস্ক রিপোর্ট

বেঙ্গল নিউজ টোয়েন্টিফোর


২৪ এপ্রিল ২০২৩ ১১:৪৫



পাথরঘাটার বধ্যভূমি এখন ট্রলার মেরামতের কারখানা (ভিডিও)

ডেস্ক রিপোর্ট, বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর

২৪ এপ্রিল ২০২৩ ১১:৪৫


ছবিঃ সংগৃহীত

অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে আছে বরগুনার বধ্যভূমিগুলো। নেই সীমানাপ্রাচীর ও স্মৃতিফলক। যেখানে সীমানাপ্রাচীর স্মৃতি ফলক আছে, সেখানেও নেই উপযুক্ত তদারকি। আর পাথরঘাটার বধ্যভূমিতে কোনো স্মৃতিচিহ্নও নেই। সেখানে এখন ট্রলার মেরামতের কারখানা।

স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের ইন্ধনেই ১৯৭১ সালের স্মৃতিবিজড়িত স্থানটি ট্রলার তৈরি ও মেরামত করার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

অযত্নে-অবহেলায় পড়ে রয়েছে এই জায়গাটি। স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরেও এখানে স্থাপিত হয়নি কোনো স্মৃতিচিহ্ন।

স্থানীয় রাজাকার ও শান্তি কমিটির সদস্যরা ১৯৭১-এর ১৫ মে পাক হানাদার বাহিনীকে পাথরঘাটায় নিয়ে আসে। তাদের সহায়তায় পাথরঘাটা বন্দর ও গহরপুর গ্রামের সতীন্দ্র হাওলাদারের বাড়িতে আশ্রয় নেয়া সাতজন মুক্তিকামী মানুষকে ধরে এনে পাথরঘাটা লঞ্চঘাটের পূর্ব পাশে বিষখালী নদীর তীরে হত্যা করা হয়। এদের মধ্যে ছিলেন দীলিপ শাহ, প্রহ্লাদ মিস্ত্রি, ক্যাশফ চন্দ্র গাইন, জাদব গাইন, রাম চন্দ্র গাইন, দীলিপ গাইন। এদের নির্বিচারে হত্যা করে স্বজনের কাছে লাশ না দিয়ে নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়।

বরগুনার পাথরঘাটায় চারটি বধ্যভূমি রয়েছে। উপজেলার পৌর শহরের তাসলিমা মেমোরিয়াল স্কুল রোডে একটি‌, নাচনাপাড়া ইউনিয়নের সিংড়াবুনিয়া গ্রাম একটি। আর বাকি দুটি কাঁঠালতলী ইউনিয়নের তালুকের চরদোয়ানী খেওয়াঘাটে এবং বিষখালী নদীসংলগ্ন  এলাকায়। এই দুটির নেই কোনো সীমানাপ্রাচীর ও স্মৃতিফলক।

জিএম/এইচআই