ডেস্ক রিপোর্ট, বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর
২৩ এপ্রিল ২০২৩ ১১:২২
ছবিঃ সংগৃহীত
সারা
দেশেই তীব্র গরম। সারাদিন বাইরে কাজ কর্ম শেষে ঘরে ফিরে একটু স্বস্তি পেতে কে না চায়।
তবে গরমের তীব্রতা কেড়ে নিয়েছে ঘরের সেই আরামও। তাইতো গরম থেকে বাঁচতে এখন অনেকেই শরণাপন্ন
হচ্ছেন শীতাতপ নিয়ন্ত্রক যন্ত্র বা এসির প্রতি। কত টনের এসি কিনবেন, কি ধরণের এসি-
এরকম আরো নানাবিধ প্রশ্নের উত্তর পেতে দেখুন প্রতিবেদন।
কত
টনের এসি কিনবেন, ঘরের মাপ অনুযায়ী ঠিক করতে হবে। প্রয়োজনের চেয়ে কম টনের এসি লাগালে
এক দিকে ঘর ঠান্ডা হতে সময় বেশি নেয়। অন্য দিকে চাপ পড়ে এসির উপরেও। প্রয়োজনের চেয়ে
বেশি টনের এসি আবার অতিরিক্ত দ্রুত ঘর ঠান্ডা করে দেয়। যা অপচয় করে বিদ্যুৎ। বিশেষজ্ঞদের
মতে, ১২০ বর্গফুট বা তার কম মাপের ঘরের জন্য এক টনের এসিই যথেষ্ট। কিন্তু ঘরের মাপ
১৮৫ বর্গফুটের কাছাকাছি আয়তনের হলে দেড় থেকে দুই টনের এসি কিনতে হবে।
বিশেষজ্ঞদের
মতে, ইনভার্টারসহ এসি কেনার চেষ্টা করবেন। ইনভার্টার এসিতে বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় হয়।
এ কারণে এটা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বাজারে। ইনভার্টার এসির কমপ্রেসার সবসময় প্রয়োজনমতো
ক্যাপাসিটিতে ঘরকে ঠান্ডা রাখে। যেহেতু এই এসির কমপ্রেসার কম ক্যাপাসিটিতেও চলতে পারে,
তাই এই এসিতে বিদ্যুৎ খরচও হয় কম।
এছাড়া
কপার বা তামার কয়েলযুক্ত এসি একটু দামি হলেও তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য।
পাশাপাশি এখন বিভিন্ন এসিতে নানা ধরনের ফিল্টার থাকে। এই ফিল্টারগুলো দুর্গন্ধ দূর
করা ও বায়ুবাহিত রোগ-জীবাণু দূর করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি স্মার্ট এসিও বেশ জনপ্রিয়
হয়ে উঠেছে। এসব এসিতে ওয়াইফাই থাকে, কোনওটি আবার গলার স্বর বা মোবাইল ফোন থেকেই নিয়ন্ত্রণ
করা যায়। তবে এই সব অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধা পেতে চাইলে গুনতে হবে বাড়তি টাকা।
তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টা মাথায় রাখবেন, তা হলো--এসি কেনার আগে প্রথমেই কম্পানির 'আফটার সেল সার্ভিস' আছে কি না তা অবশ্যই দেখতে হবে। কেনার পর যদি কোনো সমস্যা দেখা দেয় সেক্ষেত্রে তা সমাধানে কম্পানি কতটুকু কাজ করবে সেটা জেনে নিন। পাশাপাশি কম্পানির রিভিউ এর দিকে খেয়াল করবেন। কেননা ভালো সার্ভিস দেওয়া কম্পানি থেকে এসি না কিনলে পরে প্রচুর বাড়তি খরচের শঙ্কা থাকে।
জিএম/