নিজস্ব প্রতিবেদক

বেঙ্গল নিউজ টোয়েন্টিফোর


১০ এপ্রিল ২০২৩ ০৭:৩৪



যেসব কারণে আইফোন থেকে এগিয়ে রয়েছে অ্যান্ড্রয়েড (ভিডিও)

নিজস্ব প্রতিবেদক, বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর

১০ এপ্রিল ২০২৩ ০৭:৩৪


ছবি: সংগৃহীত

স্মার্টফোনের বাজারে গুগল এর অ্যান্ড্রয়েড ও অ্যাপল এর আইওএস অপারেটিং সিস্টেম শীর্ষস্থান দখল করে আছে। এই দুইটিই মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম হলেও অ্যান্ড্রয়েড এবং আইফোনের মধ্যে বেশ পার্থক্য রয়েছে। এই কারণে অ্যান্ড্রয়েড নাকি আইফোন কোনটি এগিয়ে রয়েছে এ নিয়ে রয়েছে নানা তর্ক বিতর্ক ও ভিন্ন মত। তবে বেশকিছু বিষয়ে আইফোন থেকে অ্যান্ড্রয়েড এগিয়ে রয়েছে।

প্রযুক্তিভিত্তিক গাইড ওয়েবসাইট এমইউও (মেক ইউজ অব) এর এক প্রতিবেদন মতে, কয়েক বছরের মধ্যে স্যামসাং ফোল্ডিং ফোনগুলোকে সবার কাছে বেশ সাধারণ করে তুলেছে। গ্যালাক্সি ফোল্ড ছাড়াও ভাঁজ করা যায় এমন কিছু অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মধ্যে রয়েছে মটোরোলা রেজর, স্যামসাং গ্যালাক্সি জেড ফ্লিপ সিরিজের মতো ডিভাইসগুলো। তবে আইফোন এখনো অনেকটাই নিজেদের গতানুগতিক ধাঁচের রয়েছে। অ্যাপল এখনো ফোল্ডিং ফোন বাজারে আনতে পারেনি।

এদিকে বেশিরভাগ অ্যান্ড্রয়েড ফোন কয়েক বছর ধরেই ইউএসবি-সি ব্যবহার করছে। সেখানে আইফোন এখনো ২০১৩ সালে আইফোন ৫-এ চালু হওয়া লাইটনিং কানেক্টরের সঙ্গেই আটকে আছে। আর এই লাইটনিং কানেক্টরের কারণে অ্যাপল আলাদা করে অর্থ উপার্জন করতে পারছে। বিভিন্ন কম্পানি লাইটনিং ক্যাবল ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশ বানাতে চাইলে অ্যাপলকে লাইসেন্সিং ফি দিতে বাধ্য হয়। যা অ্যাপলের জন্য লাভজনক হলেও গ্রাহকদের জন্য লাভজনক নয়।

ইয়ারবাড, স্মার্টওয়াচ বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস চার্জিংয়ের জন্য অনেকে ওয়্যারলেস চার্জিং ব্যবহার করে থাকে। এগুলোর জন্য সাধারণত চার্জিং প্যাড ব্যবহার করা লাগে। তবে অনেক অ্যান্ড্রয়েড ফোন নিজেই একটি ওয়্যারলেস চার্জিং প্যাডে পরিণত হতে পারে। রিভার্স ওয়্যারলেস চার্জিং ফিচারটি অ্যান্ড্রয়েডে রয়েছে। যা দিয়ে চার্জিং প্যাড ছাড়াই ফোন থেকে সরাসরি এ সব ডিভাইস চার্জ করতে পারবেন। তবে আইফোনে ম্যাগসেফের মতো ওয়্যারলেস চার্জিং ফিচার থাকলেও রিভার্স ওয়্যারলেস চার্জিং ফিচারটি নেই।

অ্যাপল তার আইফোনের ক্যামেরাকে কেন্দ্র করেই ফোনগুলোকে বেশি বাজারজাত করে থাকে। তবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ক্যামেরা আসলে আইফোনের তুলনায় অনেক এগিয়ে রয়েছে। অ্যাপল তাদের আইফোন ১৪ প্রো-তে ব্যাপকভাবে ক্যামেরার আপগ্রেড করেছে। তারা তাদের প্রধান ক্যামেরার ১২ মেগাপিক্সেল রেজ্যুলেশনকে ৪৮ মেগাপিক্সেলে উন্নীত করেছে। এরপরও এটা স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২২ আল্ট্রার ১০৮-মেগাপিক্সেল সেন্সরের তুলনায় কিছুই নয়।

অন্যদিকে আইফোনের মডেলের সংখ্যা সীমিত। ক্রেতারা চাইলে বাজেটের মধ্যে শুধু আইফোন এসই কিনতে পারবেন, নাহলে বেস আইফোন বা প্রো আইফোনের মধ্যে কোনো একটি বেছে নিতে হবে। যেখানে এগুলোর ফিচার একই মডেলের ক্ষেত্রে অনেকটাই অভিন্ন। আর অ্যান্ড্রয়েডের ক্ষেত্রে রয়েছে অনেক বিকল্প। অ্যান্ড্রয়েডে একই ব্র্যান্ডের ফোনে যেমন বৈচিত্র্য আছে, ভিন্ন ভিন্ন ব্র্যান্ডে রয়েছে আরও বেশি বৈচিত্র্য। মূল বিষয় হচ্ছে অ্যান্ড্রয়েডে আইফোনের তুলনায় বৈচিত্র্যপূর্ণ ও বিশাল সংখ্যক বিকল্প পাবেন।

এমএইচ/