ডেস্ক রিপোর্ট, বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর
০৫ এপ্রিল ২০২৩ ০৮:৪৮
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বে প্রতি
ছয়জনের মধ্যে একজন তাদের জীবদ্দশায় বন্ধ্যাত্বে ভুগছেন। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য
জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও)। বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধে সাশ্রয়ী মূল্যে
উন্নতমানের সেবা প্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করতে আরও কাজ করতে হবে বলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থার প্রতিবেদনে জানানো হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থা বলছে, বিশ্বের মোট প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ বন্ধ্যাত্বে ভুগছেন।
অঞ্চলভেদে এই হার কিছুটা কমবেশি। উচ্চ আয়ের দেশগুলোয় বন্ধ্যাত্বের এই হার ১৭ দশমিক
৮ শতাংশ। আর নিম্ন আয়ের দেশে তা ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ। এদিকে এক বিবৃতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থার মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বলেন, এই প্রতিবেদন একটি গুরুত্বপূর্ণ
সত্য প্রকাশ করেছে। তা হলো, বন্ধ্যাত্ব বৈষম্য কোনো করে না।
বন্ধ্যাত্ব
মূলত প্রজননজনিত একটি রোগ। নারী-পুরুষ যে কারও এটা হতে পারে। ১২ মাস বা তার বেশি সময়
ধরে চেষ্টার পরও সন্তান ধারণে সফল না হলে ওই নারী-পুরুষকে বন্ধ্যা বলা হয়। বন্ধ্যাত্ব
মানুষের সামাজিক ও মানসিক যন্ত্রণার কারণ হয়। এই সমস্যা ভুক্তভোগীদের মানসিক ও মনস্তাত্ত্বিক
সুস্থতাকে প্রভাবিত করে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা রয়েছে। ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশন এর মতো প্রজনন সহায়ক প্রযুক্তি বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধে ও রোগনির্ণয়ে কাজ করে থাকে। তবে এর চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। জাতিসংঘের সংস্থাটি বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা খরচ সম্পর্কিত একটি পৃথক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আইভিএফর এক রাউন্ডের দাম অনেক রোগীর জন্যই গড় বার্ষিক আয়ের চেয়েও বেশি। অনেক দেশে প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষেরা এর চিকিৎসা সেবা পান না। তাই বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধে সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নতমানের সেবা প্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করতে গুরুত্বারোপ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
এমএইচ/