ডেস্ক রিপোর্ট, বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর
০৪ এপ্রিল ২০২৩ ১২:০৪
ছবি: সংগৃহিত
প্রোটিনের ও ক্যালোরির অন্যতম উৎস ডিম। এতে রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ, দস্তা, তামা, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, সেলেনিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম ও আয়রন। স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী খাদ্যটি খাওয়া নিয়ে নানা জনের নানা মত থাকলেও পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা প্রতিদিন শরীরচর্চা বা কায়িক পরিশ্রম করেন না, তাদের কখনোই দিনে দুটির বেশি ডিম খাওয়া উচিত নয়। আর খুব বেশি গরমের দিনে একটির বেশি না খাওয়ার পরামর্শ তাদের।
একটি ডিমে এনার্জি রয়েছে ১৪৩ ক্যালরি, প্রোটিন রয়েছে ১২.৫৬ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট রয়েছে ০.৭২ গ্রাম, পটাশিয়াম রয়েছে ১৩৮ মিলিগ্রাম, জিংক রয়েছে ১.২৯ মিলিগ্রাম, ফসফরাস রয়েছে ১৯৮ মিলিগ্রাম এবং ফ্যাট রয়েছে ৯.৫১ গ্রাম।
একাধিক গবেষণা থেকে জানা যায়, অপুষ্টি এবং রক্তস্বল্পতাজনিত সমস্যা থেকে নিরাময় দিতে সক্ষম ডিম। ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী ৩০ জন নারীর ওপর গবেষণা করেছে ইউএস ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ। প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, সকালের নাস্তায় ডিম খেলে দুপুরের আগ পর্যন্ত পেট ভরা থাকে। ঠিক একইভাবে ৩৬ ঘণ্টা পর্যন্ত ক্যালোরি গ্রহণ করার মাত্রাও কমে যায়।
চলছে পবিত্র রমজান মাস। সারা দিন রোজা রেখে শরীরে এক প্রকার শক্তি ও প্রোটিন ঘাটতি দেখা দেয়। এই ঘাটতি দূর করতে ইফতারে একটি ডিম বেশ উপকারী। পেশি ও হাড়ের জোর বাড়াতেও সাহায্য করে ডিম। সেই সঙ্গেই কীভাবে ডিম খাচ্ছেন সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
পুষ্টিবিদদের মতে, মুরগির ডিমের থেকে হাঁসের ডিম বেশি উপকারী। গবেষণা বলছে, ১০০ গ্রাম মুরগির ডিমে থাকে ১৪৯ কিলোক্যালোরি এনার্জি। আর ১০০ গ্রাম হাঁসের ডিম থেকে এনার্জি পাওয়া যায় ১৮৫ কিলোক্যালোরি। নিউট্রিশনে ভরপুর হাঁসের ডিমে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন এ ও ডি, আয়রনও মুরগির ডিমের থেকে বেশি।
তবে অনেকেই ডিমের কুসুম ফেলে দিয়ে সাদা অংশটা খান। পুষ্টিবিদদের মতে, বড় ধরনের জটিলতা না থাকলে দিনে একটি নয়, অন্তত ২টি ডিম কুসুমসহ খেতে পারবেন। আর যদি এর চেয়েও বেশি ডিম খেতে চান তাহলে সাদা অংশ খেতে পারেন। ডিম ও দুধ দিয়ে তৈরি পুডিং খুবই স্বাস্থ্যকর এবং উৎকৃষ্ট প্রোটিনের উৎস।
ইউএইচ/এইচআই